বিশ্বব্যাংক, জাইকা প্রভৃতি বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক সংস্থা এদের প্রধান কাজ হলো বিশ্বের অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা দেওয়া। এসব দেশগুলোতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হওয়ার পাশাপাশি কাজের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, উন্নত দেশগুলোও বিশ্বব্যাপী পণ্য রপ্তানির সুযোগ পায়।
উদ্দীপকের সংস্থাসমূহের ন্যায় স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময় গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক সংস্থা মার্শাল পরিকল্পনার সাদৃশ্য রয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, বিশ্বব্যাংক, জাইকা প্রভৃতি বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক সংস্থা। এদের প্রধান কাজ হলো বিশ্বের অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমে ঋণ সহায়তা দেওয়া। এসব দেশগুলোতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হওয়ার পাশাপাশি কাজের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে, উন্নত। দেশগুলোও বিশ্বব্যাপী পণ্য রপ্তানির সুযোগ পায়। আর পাঠ্যবই হতে জানা যায়, ১৯৪৭ সালের জুন মাসে মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জর্জ মার্শাল হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির এক সভায় তার 'মার্শাল পরিকল্পনা' প্রকাশ করেন। এ পরিকল্পনায় তিনি যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপীয় দেশগুলোর অর্থনীতির পুনরুজ্জীবনের জন্য মার্কিন সাহায্যের প্রস্তাব করেন। এ প্রস্তাব অনুযায়ী তিনি বলেন সাহায্য গ্রহণকারী দেশগুলো একটি ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত হবে। এ লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র সাড়ে পাঁচ বিলিয়ন ডলার সাহায্য প্রদান করে। এ সাহায্য গ্রহণ ইউরোপের সকল দেশের জন্য উন্মুক্ত ছিল। মার্শাল পরিকল্পনার আওতায় ইউরোপের মোট ১৬টি দেশ অন্তর্ভুক্ত হয়। মার্শাল পরিকল্পনার ফলে একদিকে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সংহতি বিধান এবং অন্যদিকে মার্কিন আর্থিক সহায়তায় ১৬টি ইউরোপীয় দেশ ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা (OEEC) নামে একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠন করে। এভাবে মার্শাল পরিকল্পনা ইউরোপীয় পুনঃজীবন ঘটাতে সফল হয়। সুতরাং উদ্দীপকের সংস্থাসমূহের ন্যায় স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময় গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক সংস্থা মার্শাল পরিকল্পনার সাদৃশ্য রয়েছে একথা বলাই যুক্তিসংগত।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?